সৌদি আরবে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

 

সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা এখন খুব সহজেই বাংলাদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। বর্তমানে অনেক ব্যাংক প্রবাসীদের জন্য বিশেষ NRB (Non-Resident Bangladeshi) Account সুবিধা চালু করেছে, যার মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠানো, সঞ্চয় করা এবং বিভিন্ন 

ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করাসহজ হয়। এছারাও  অনলাইন বা ডিজিটাল পদ্ধতিতেও অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ দিচ্ছে।আজকের এই আর্টিকেলএ  আমরা জানব  সৌদি আরবে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়মঃ

পেইজ সূচিপত্রঃ সৌদি আরবে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার উপায় 

একাউন্ট খোলার জন্য ব্যাংক নির্বাচন করুন 

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রথম ধাপ হলো সঠিক  ব্যাংক নির্বাচন করা। বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক ব্যাংক প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ NRB (Non-Resident Bangladeshi) অ্যাকাউন্ট সুবিধা প্রদান করে থাকে।তাই আপনাকে ব্যাংক নির্বাচন করার সময়  সেবার মান, অনলাইন অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা, রেমিট্যান্স গ্রহণের ব্যবস্থা, ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা এবং অ্যাকাউন্ট পরিচালনার খরচ সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত।

এছাড়া  বিদেশে অবস্থানরত গ্রাহকদের জন্য বিশেষ কোনো সুবিধা আছে কি না, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন। কিছু ব্যাংক দ্রুত অ্যাকাউন্ট অনুমোদন, সহজ e-KYC প্রক্রিয়া এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান করে থাকে। তাই নিজের প্রয়োজন ও সুবিধা অনুযায়ী একটি নির্ভরযোগ্য ব্যাংক নির্বাচন করলে পরবর্তী ধাপগুলো সম্পন্ন করা অনেক সহজ হয় এবং ভবিষ্যতে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনায়ও সুবিধা পাওয়া যায়।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার জন্য সাধারণত নিচের কাগজপত্রগুলো প্রয়োজন হয়

  • বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট (পরিচয় ও নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে)
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম নিবন্ধনের কপি
  • সৌদি আরবের বৈধ ইকামা (Iqama) এর কপি
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • সচল মোবাইল নম্বর
  • ইমেইল নাম্বার
  • বাংলাদেশের স্থায়ী ঠিকানার তথ্য
  • সৌদি আরবের বর্তমান ঠিকানার তথ্য
  • নমিনির নাম, ছবি ও পরিচয়পত্রের কপি
  • পেশা বা কর্মস্থল সম্পর্কিত তথ্য 
  • স্বাক্ষরের নমুনা (প্রয়োজনে)

আবেদন করার আগে সব কাগজপত্রের মেয়াদ ও তথ্য সঠিক আছে কিনা যাচাই করে নেওয়া ভালো। এতে একাউন্ট অনুমোদনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয় এবং অতিরিক্ত ঝামেলা এড়ানো যায়। তাই  একাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই সব কাগজপত্র  রেডি রাখতে হবে।

আরো পরুনঃ সৌদি আরবে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার উপায়

একাউন্টের ধরন নির্ধারণ করুন 

ডিজিটাল ব্যাংক একাউন্ট খোলার আগে আপনাকে জানতে হবে আপনার প্রয়োজন বা আপনি কি কাজে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী একাউন্ট নির্ধারণ করতে হবে। এখন বেশিরভাগ ব্যাংক বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট সুবিধা প্রদান করে থাকে যেমন  

  • সেভিংস একাউন্ট -চাকরিজীবী , শিক্ষার্থী , গৃহিণী এবং যারা নিয়মিত ভবিষ্যতের জন্য জমিয়ে রাখতে চান তাদের জন্য এটা ভালো হবে।
  • কারেন্ট একাউন্ট - ব্যবসায়ী , উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারের জন্য যেখানে বেশি পরিমাণ টাকা লেনদেন হয়।
  • স্টুডেন্ট একাউন্ট - স্টুডেন্টদের জন্য বেশি ব্যবহার করা হয়।
  • স্যালারি একাউন্ট- নির্দিষ্ট কোনও প্রতিষ্ঠানের চাকুরী জিবিদের জন্য ।
  • ফ্রিল্যান্সার বা রেমিটেন্স গ্রহণের জন্য বিশেষ অ্যাকাউন্ট 

এছাড়া যারা বিদেশ থেকে রেমিটেন্স গ্রহণ করেন বা অনলাইন কাজ করেন তারা ডলার বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের জন্য অ্যাকাউন্ট নির্বাচন করতে পারবেন পারবেন একাউন্ট বেছে নেয়ার সময় সুবিধা একাউন্ট বেছে নেয়ার সময় ব্যাংকের একাউন্টের সুবিধা অসুবিধা গুলো জেনে নিবেন আপনি সঠিক অ্যাকাউন্ট নির্বাচন করলে ভবিষ্যতে আপনার আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সহজ হবে 

ব্যাংকের নির্ধারিত আবেদন ফরম 

ব্যাংক নির্বাচন করার পর ব্যাংকের নির্ধারিত আবেদন ফরম সংগ্রহ করে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। বর্তমানে অনেক ব্যাংক অনলাইনে আবেদন করার সুবিধা দিলেও কিছু ক্ষেত্রে শাখা থেকে ফরম সংগ্রহ করতে হয়। ফরমে আবেদনকারীর নাম, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা এবং পেশাগত তথ্য উল্লেখ করতে হয়। 

ফরম পূরণের সময় প্রতিটি তথ্য পাসপোর্ট ও অন্যান্য সরকারি নথির সঙ্গে মিলিয়ে লিখতে হবে। কোনো ভুল তথ্য প্রদান করলে আবেদন প্রক্রিয়া দেরি হতে পারে বা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া নমিনির তথ্যও সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার আগে ফরমটি একবার ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত, যাতে কোনো তথ্য বাদ না পড়ে। সঠিকভাবে আবেদন ফরম পূরণ করলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া দ্রুত  সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

আরো পরুনঃ ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায় 

আবেদনফর্মে নমিনির তথ্য যুক্ত করুন  

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় একজন নমিনির  প্রয়োজন হয়। নমিনি হলো সেই ব্যক্তি, যিনি অ্যাকাউন্টকারীর অনুপস্থিতিতে  ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী অ্যাকাউন্টের অর্থ ও অন্যান্য সুবিধার দাবিদার হতে পারেন। সাধারণত পরিবারের সদস্য, যেমন বাবা-মা, স্বামী বা স্ত্রী, ভাই-বোন কিংবা সন্তানকে নমিনি হিসেবে রাখা হয়।

নমিনির তথ্য যুক্ত করার  সময় তার পূর্ণ নাম, জন্মতারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং আবেদনকারীর সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য প্রদান করতে হয়। অনেক ব্যাংক নমিনির ছবি ও পরিচয়পত্রের কপিও চেয়ে থাকে। নমিনির তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভুল তথ্য দিলে  জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। আবেদন জমা দেওয়ার আগে নমিনির সকল তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে নিলে অ্যাকাউন্ট পরিচালনা ও ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহজ হয়। 

KYC ও গ্রাহক পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করুন

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য KYC (Know Your Customer) এবং গ্রাহকের  পরিচয় যাচাই করা একটা  গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংক আবেদনকারীর পরিচয়, ঠিকানা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে থাকে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করা, জালিয়াতি প্রতিরোধ করা এবং আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা।

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় আবেদনকারীকে পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইকামা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। ব্যাংক এসব তথ্য যাচাই করে নিশ্চিত হয় যে আবেদনকারী প্রকৃত ব্যক্তি এবং তার দেয়া সব তথ্য সঠিক। বর্তমানে অনেক ব্যাংক ডিজিটাল KYC সুবিধা চালু করেছে, যার মাধ্যমে ভিডিও কল, সেলফি ভেরিফিকেশন বা মোবাইলে প্রেরিত OTP ব্যবহার করে পরিচয় নিশ্চিত করা যায়। 

যাচাই প্রক্রিয়ার সময় আবেদনকারীর দেওয়া তথ্য এবং জমা দেওয়া ডকুমেন্টের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি বা অমিল  থাকলে ব্যাংক অতিরিক্ত তথ্য বা কাগজপত্র চাইতে পারে। তাই আবেদন করার সময় সব তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করা জরুরি। KYC ও পরিচয় যাচাই সফলভাবে সম্পন্ন হলে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত এগিয়ে যায় এবং গ্রাহক নিরাপদে ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারের সুযোগ পান।

ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা চালু করুন 

ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা চালু করুন বাংলাদেশের অনেক ব্যাংক এখন মোবাইল অ্যাপ ইন্টারনেট ব্যাংকিং এবং এসএমএস ব্যাংকিং এর মাধ্যমে গ্রাহকদের বিভিন্ন সেবা প্রদান করছে ।  বর্তমানে ব্যাংকিং সেবা কে আরো সহজ এবং নিরাপদ করতে ডিজিটাল ব্যাংকিং সুবিধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  অ্যাকাউন্ট খোলার পর ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু করলেই আপনি ঘরে বসে টাকা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠানো , মোবাইল রিচার্জ , বিল পরিশোধ  ,ব্যালেন্স চেক এবং নগদ লেনদেন এর হিসাব দেখতে পারবেন আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে কাজ করতে হবে না । ডিজিটাল ব্যাংকিং চালু করার জন্য ব্যাংকের মোবাইল অ্যাপ চালু করতে হয় ।এই ব্যাংকিং সুবিধা থাকার জন্য আপনার সময় ও শ্রম বাঁচে ঘরে বসেই আপনি কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। প্রতিবার লেনদেনের সময় আপনার ফোনে ওটিপি বা এসএমএস এলার্ট আসে যা অনেক বেশি নিরাপ।  

এক্সচেঞ্জ হাউজ এর মাধ্যমে একাউন্টে অর্থ পাঠানোর পদ্ধতি 

অনেক প্রবাসীরা এখন সহজে ও নিরাপদে টাকা পাঠানোর জন্য এক্সচেঞ্জ  হাউস এর সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। এক্সচেঞ্জ হাউজ হলো অনুমোদিত একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান যা এক দেশ থেকে অন্য দেশে বৈধভাবে টাকা পাঠানোর সুবিধা দিয়ে থাকে । এটার মাধ্যমে টাকা পাঠাতে হলে প্রথমে আপনাকে নিকটস্থ এক্সচেঞ্জ  হাউজে যেতে হবে । আর আপনার পরিচয় পত্র , মোবাইল নাম্বার ও  যার নাম্বারে টাকা পাঠাবেন তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর তথ্য দিতে হবে । 

এরপর  অর্থ প্রেরণযোগ্য এক্সচেঞ্জ হাউসে জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ করতে হবে। তারপর তারা নির্দিষ্ট ব্যাংক একাউন্টে অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করবেন ।সাধারণত ১ থেকে দুই দিনের মধ্য কোন সমস্যা না থাকলে প্রাপকের একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যায় । টাকা পাঠানোর সময় অবশ্যই প্রাপকের নাম ব্যাংকের নাম শাখার তথ্য ও অ্যাকাউন্ট নাম্বার সঠিকভাবে দিবেন এছাড়া লেনদেনের রশিদ বা রেফারেন্স নাম্বার ভালোভাবে রাখবেন। যাতে কোথাও কোন প্রয়োজন হলে দেখাতে পারেন । তাই বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর জন্য অবশ্যই বিশ্বস্ত ও বৈধএক্সচেঞ্জ  হাউস নির্বাচন করা উচিত । 

আরো পরুনঃ সৌদি আরবে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার পদ্ধতি 

রেমিট্যান্স গ্রহণ ও অ্যাকাউন্ট পরিচালনা শুরু করুন

ব্যাংক একাউন্ট খোলা এবং প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে আপনি রেমিটেন্স গ্রহণ অ্যাকাউন্ট পরিচালনা শুরু করতে পারবেন । ঘরে বসেই আপনি কিভাবে রেমিটেন্স গ্রহণ করবেন এবং আপনার অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করবেন তার কিছু নিয়ম নিচে দেওয়া হল -

সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে প্রবাসীকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নাম নাম্বার ব্যাংকের নাম এবং রাউটিং নাম্বার দিবেন এতে টাকা সরাসরি আপনার একাউন্টে জমা হবে। মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে বিকাশ  ,রকেট  ,নগদের মতো ব্যাংকিং নম্বরেও এখন রেমিটেন্স আনা যায় । সরকারি প্রণোদনা বৈধ পথে  রেমিটেন্স পাঠালে সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত টাকা একাউন্টে যোগ হয়। টাকা আপনার অ্যাকাউন্টে আসার পর ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ যেমন ডাচ-বাংলা ব্যাংকের -Nexus pay, সিটি ব্যাংকের- CityTouch,  ব্রাক ব্যাংকের- ASTHA ব্যবহার করে খুব সহজে আপনি অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে পারবেন ।

শেষ কথা

ডিজিটাল ব্যাংকিং  এর মাধ্যমে রেমিটেন্স গ্রহণের সুবিধা এখন আমাদের জীবনকে করেছে অনেক বেশি নিরাপদ। সময় ও শ্রম বাঁচিয়ে ব্যাংকিং সেবা কে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসার এই সুযোগ আধুনিক যুগের এক দারুন উপহার। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখতে এবং নিরাপদে লেনদেনের সুবিধা উপভোগ করতে ডিজিটাল ব্যাংকিং এর বিকল্প নেই। তাই আর দেরি না করে আজই আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক অ্যাকাউন্টটি বেছে নিন । আশা করি উপরের আর্টিকেলের  মাধ্যমগুলো ফলো করলে আপনি সৌদি আরব থেকে একাউন্ট খুলতে পারবেন । 


 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ঘুরে দাঁড়াও নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪