চীনের প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি করার প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ গাইড

চীন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এমন কোন প্রোডাক্ট নেই যা চীন উৎপাদন করে না। বাংলাদেশের অনেক উদ্যোক্তা এখন চায়না থেকে প্রোডাক্ট নিয়ে এসে তাদের ব্যবসা বাড়াচ্ছেন।তাই চায়না থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি করতে হলে সঠিক নিয়ম-কানুন জানা জরুরী।






আপনি যদি সঠিক নিয়ম-কানুন না জানেন তাহলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।আজকে নিচের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো চীনের প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি করার বিভিন্ন ধাপসমূহ আশা করি মনোযোগ সহকারে পড়বেন।

পেইজ সূচিপত্র : চীনের প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি করার প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ গাইড


আমদানি করার জন্য প্রথমে পণ্য নির্বাচন করুন

চীন থেকে পণ্য আমদানি করার প্রথম ধাপ হচ্ছে পণ্য নির্বাচন।আপনাকে আগে চিন্তা করতে হবে আপনি কোন পণ্য নিয়ে ব্যবসা করবেন বা কোন প্রোডাক্ট নিয়ে আসতে চাইছেন। পন্য নির্বাচনের আগে আপনাকে দেখতে হবে কোন পণ্যের চাহিদা বাংলাদেশে বেশি, বাজারে প্রতিযোগিতা কেমন এবং সে পণ্যের সম্ভাব্য লাভও কেমন হতে পারে। যেমন ইলেকট্রনিক্স,মোবাইল এক্সেসরিজ,ফ্যাশন পণ্য, বিউটি প্রোডাক্ট, গৃহস্থালি সামগ্রী, শিল্প কাখানার কাঁচামাল চীন থেকে আমদানির ক্ষেত্রে বেশি জনপ্রিয় । আমদানির ক্ষেত্রে বেশি জনপ্রিয় পণ্য নির্বাচন করার সময় বাজার গবেষণা করলে ভবিষ্যতে আপনার পণ্যটির বিক্রির সম্ভাবনা কেমন তা বোঝা যাবে। এমন পণ্য  নির্বাচন করতে হবে যার চাহিদা দীর্ঘ মেয়াদী। তাই আপনি যদি সঠিক পণ্য  নির্বাচন করতে পারেন তাহলে আপনার সফলতা অনেক অংশে নির্ভর করবে।

ট্রেড লাইসেন্স ও TIN সংগ্রহ করুন 

বাংলাদেশে বৈধভাবে আমদানি ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য একটি বৈধ ট্রেড লাইসেন্স, TIN সার্টিফিকেট এবং একটি ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে। ট্রেড লাইসেন্সটি আপনি সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সংগ্রহ করবেন। সার্টিফিকেট জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অনলাইন এর মাধ্যমে নিতে হবে। এগুলো একজন আমদানি কারকের মৌলিক ডকুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য এসব ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। তাই পণ্য আমদানি করার আগে সব তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা উচিত ।

আরো পরুনঃ চীনের প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি  প্রক্রিয়া

Important Registration Certificate(IRC) সার্টিফিকেট সংগ্রহ করুন 

চীন বা অন্য যে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি করতে হলে অবশ্যই  Important Registration Certificate(IRC) সংগ্রহ করতে হয় ।এই সার্টিফিকেট একজন আমদানি কারকের সরকারি নিবন্ধন সনদ হিসেবে কাজ করে। এটি সাধারণত Chief  Controller  Of  Imports  and  Exports (CCIF) অফিস থেকে সংগ্রহ করা হয়। সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করার সময় ট্রেড লাইসেন্স সার্টিফিকেট , সলভেন্সি সার্টিফিকেট সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয়। Important Registration Certificate(IRC)  ছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ব্যাংকের মাধ্যমে  আমদানি কার্যক্রম সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয় না ।তাই ব্যবসা শুরুতেই এই নিবন্ধন সম্পূর্ণ করা উচিত। Important Registration Certificate(IRC)  সংগ্রহ করলে ভবিষ্যতে আমদানি প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়। 

চীন থেকে পণ্য আমদানির জন্য বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার খুঁজুন 

পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে একজন বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার নির্বাচন করা খুব গুরুত্বপূর্ণ ।কারণ সরবরাহকারী ভালো না হলে আপনার  পণ্যের মান ডেলিভারি ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হবে । বর্তমানে আপনি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম যেমন Alibaba, Global Sources এবং Made-in-China ব্যবহার করে চীনা সাপ্লায়ারদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সাপ্লায়ার  নির্বাচনের সময় অবশ্যই তাদের ব্যবসার অভিজ্ঞতা ,রিভিউ রেটিং এবং ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাস যাচাই  করা উচিত । আপনি একই পণ্য একাধিক সাপ্লায়ার এর কাছ থেকে যাচাই করলে মূল্য ও সেবার তুলনাটা বুঝতে পারবেন। এছাড়াও প্রতারণা এড়াতে  পণ্য আমদানির জন্য আপনি সরাসরি সাপ্লায়ের সাথে যোগাযোগ করুন ।একটি বিশ্বস্ত সরবরাহকারি ব্যবসার ঝুঁকি কমায়  এবং সাপ্লাইয়ের সাথে সফল দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করে । 

আরো পরুনঃ চীনের বিউটি প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আমদানি করার প্রক্রিয়া

মূল্য ও শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা করুন 

একজন সরবরাহকারী নির্বাচন করার পর তার সাথে পণ্যের মূল্য ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে হবে। পণ্যের ইউনিট মূল্য ন্যূনতম কি পরিমাণ অর্ডার দেওয়া যাবে, উৎপাদনের সময় পেমেন্ট পদ্ধতি কেমন হবে , শিপিং খরচ কত এসব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নিতে হবে। এছাড়া Incoterms যেমন  FOB , CIF বা EXW শর্ত  সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।  ভবিষ্যতে যেন সাপ্লায়ারের সাথে কোন ঝামেলা বা ভুল বোঝাবুঝি না হয় তার জন্য সব শর্ত লিখিতভাবে নিশ্চিত করা উচিত ।তাই সঠিকভাবে মূল্য ও শর্তাবলী নির্ধারণ করলে আমদানি খরচটা নিয়ন্ত্রণ সহজ এবং লাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।  তাই পণ্য নেয়ার আগে সবকিছু বিস্তারিতভাবে আলোচনা করে নেয়া উচিত ।

স্যাম্পল অর্ডার করে পণ্যের মান যাচাই করুন  

সাপ্লায়ার এর কাছে বেশি পণ্য অর্ডার দেয়ার আগে কিছু স্যাম্পল সংগ্রহ করুন। স্যাম্পলের মাধ্যমে পণ্যের গুণগত মান , কি উপকরণ দিয়ে তৈরি , ডিজাইন এবং কার্যকারিতা যাচাই করা যায়। ইমপোর্ট বা আমদানিকৃত পণ্য বাংলাদেশে আসার পর BSTI দ্বারা পন্যটি পরীক্ষা করলে আপনার পণ্য  নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যায়। সাথে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে রাখুন । অনেক সময় ছবিতে পণ্যের ভালো ছবিটা  দেখা গেলেও বাস্তবে ভালো হয় না। তাই পণ্যের ঝুঁকি  কমাতে স্যাম্পল পরীক্ষা করায় বুদ্ধিমানের কাজ ।সব কাজ সম্পন্ন করা হলে যদি দেখেন স্যাম্পলের মান সন্তোষজনক তাহলে তখন আপনি বড় পরিমাণে অর্ডার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিবেন ।

আরো পরুনঃ সৌদি আরবে বাংলাদেশি ব্যাংক একাউন্ট খোলার পদ্ধতি

সাপ্লায়ার এর কাছে থেকে Profarma Invoice সংগ্রহ করুন 

আপনার অর্ডার টি ফাইনাল হওয়ার পর সরবরাহকারী আপনাকে একটি Profarma Invoice প্রদান করবে। এই Profarma Invoice টা হচ্ছে প্রাথমিকভাবে বাণিজ্যিক ডকুমেন্টস। যেখানে পণ্যের নাম পরিমাণ মূল্য  মোট খরচ সিপিং শর্ত এবং পেমেন্টের তথ্য উল্লেখ থাকে। সরবরাহকারীর  কাছে থেকে Profarma Invoice হাতে পাওয়ার পর উল্লেখিত সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা উচিত। চায়না থেকে প্রোডাক্ট নিতে হলে মিনিমাম এক হাজার টাকার পণ্য নিতে হবে । তথ্যের মধ্য কোন ভুল থাকলে সাথে সাথে সাপ্লাইয়ের সাথে সাথে যোগাযোগ করে সংশোধন করে নিতে হবে। কারণ সঠিক আমদানি প্রক্রিয়ার কাজ গুলো সহজ করে তোলে । চীন থেকে পণ্য আমদানি ক্ষেত্রে সাধারণত Letter of Credit অথবা TT এর মাধ্যমে পেমেন্ট করা হয় ।

শিপিং পদ্ধতি বা পণ্য পরিবহণের মাধ্যম নির্ধারণ করুণ 

চীন থেকে বাংলাদেশে পণ্য আনার জন্য আমদানি করার ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতি নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।সাধারণত পণ্যের ধরন পরিমাণ বাজেট এবং ডেলিভারি সময় বিবেচনা করে শিপিং এর মাধ্যমটা নির্বাচন করা উচিত। প্রধানত  Airlince, সমুদ্রপথ এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রহণ করা যায় । যদি আপনি দ্রুত পণ্য গ্রহণ করতে চান তাহলে আপনাকেই Airlince  এর মাধ্যমে পণ্য নিতে হবে। এক্ষেত্রে ডেলিভারির সময় কম লাগবে কিন্তু খরচ তুলনামূলক বেশি  হবে । অন্যদিকে বড় পরিমাণ বা ভারী পণ্য আমদানি যদি করতে চান তাহলে সমুদ্রপথ বেশি সাশ্রয় হবে। যদিও সমুদ্রপথে পণ্য পৌঁছাতে বেশি সময় লাগে । অধিকাংশ ব্যবসায়ী এই পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। ছোট পরিমান নমুনা বা অল্প কিছু পণ্য যদি আপনি আমদানি করতে চান তাহলে আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। পদ্ধতি নির্বাচন করার আগেই অবশ্যই পরিবহন খরচ ,সম্ভাব্য ডেলিভারির সময়  , কাস্টম প্রক্রিয়া এবং পণ্যের নিরাপত্তা বিষয়গুলো আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।  আমদানি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে শিপিং পদ্ধতি বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আরো পরুনঃ Shopify  স্টোরে প্রোডাক্ট যোগ করার ধাপসমূহ

কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সম্পূর্ণ করুন

চায়না থেকে প্রোডাক্ট বাংলাদেশে আসার পর  কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সম্পন্ন করতে হয়। এটিও আমদানি প্রক্রিয়ার একটি ধাপ ।এই পর্যায়ে আমদানিকৃত পণ্যের সকল তথ্যগুলো যাচাই করা হয় এবং প্রযোজ্য সুল্ক ভ্যাট ও অন্যান্য কর পরিষদ করতে হয়।  আপনি যদি সঠিকভাবে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সম্পূর্ণ না করেন তাহলে আপনার  পণ্য বন্দরে আটকে যেতে প্নন। কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স সাধারণত Profarma Invoice,  Commercial Invoice, Packing list, Bill of Leading  সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস জমা দিতে হয়. কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এসব তথ্যগুলো যাচাই করে পণ্য ধরনের মূল্য অনুযায়ী নির্ধারণ করে।  আমদানি কারক এই কাজ সহজ করার জন্য অভিজ্ঞ C and F এজেন্টের সহায়তা নেন। তারা কাস্টমসের প্রয়োজনীয়  কাজ সম্পন্ন করে দ্রুত পণ্য হাতে পেতে সাহায্য করে। সকল কর ফি পরিশোধ করলে এবং তথ্যগুলো যাচাই করা শেষ হলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ পণ্য আপনার হাতে প্রদান করবে। এরপর আপনি আপনার পণ্য গ্রহণ করে ব্যবসায়ী কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন। তাই আপনাকে সকল কাগজপত্র সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।

শুল্ক ও কর পরিশোধ করুন 

চায়না থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি সময় কাস্টমস ডিউটি এবং শুল্ক  পরিশোধ করতে হয় ।কাস্টমস  আপনার পণ্যের ধরন এবং মূল্যের উপর নির্ভর করে বাংলাদেশ আমদানি কিছু ফি অন্তর্ভুক্ত করেন ইমপোর্ট ডিউটি পণ্য ভেদে আলাদা হতে পারে। সাধারণত  শুল্ক ও কর ০% থেকে ২৫%  হতে পারে।  এখন ভ্যাট পূর্ণ আমদানির ওপর প্রযোজ্য এডভান্স ইনকাম ট্যাক্স পণ্যের ওপর নির্দিষ্ট পরিমাণ এআইটি চার্জ করতে হয় যা সাধারণত ৫% নির্দিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে। এডভান্স ট্রেড ভ্যাট চার্জ করা হয় যা প্রায় ৩ % সাপ্লিমেন্টারি  কিছু বিশেষ পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শুল্ক বা সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি প্রযোজ্য হতে পারে যেমন বিলাস উচ্চমূল্যের পণ্য।কর দেওয়ার সব রকম রশিদ গুলো আপনাকে যত্ন সহকারে সংরক্ষণ করতে হবে যেন পরবর্তীতে আপনার কাজে লাগে।

আরো পরুনঃ শুল্ক ও কর পরিশোধ

পণ্য গ্রহণ ও ব্যবসা শুরু করুন

সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর পণ্য গুদাম বা নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে যায়। পণ্য গ্রহণের সময় পরিমাণ,    পণ্যরমান এবং অর্ডারের সাথে মিল আছে কি না তা যাচাই করা উচিত। কোনো সমস্যা থাকলে দ্রুত সরবরাহকারী বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। এরপর পণ্য বাজারজাতকরণ, বিক্রয় এবং বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা যায়। সফল আমদানি ব্যবসার জন্য নিয়মিত বাজার বিশ্লেষণ, গ্রাহক চাহিদা বোঝা এবং বিশ্বস্ত সরবরাহকারীর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চীন থেকে পণ্য আমদানি করে লাভজনক ব্যবসা গড়ে তোলা সম্ভব।

শেষ কথা

চীন  থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি করা বর্তমান সময়ে ব্যবসায়ীদের জন্য একটি লাভজনক সুযোগ। তবে সফলভাবে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হলে সঠিক পণ্য নির্বাচন ,বিশ্বস্ত সাপ্লায়ার এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি উপরের ধাপগুলো অনুসরণ করলেই আপনি সহজে চীন থেকে বাংলাদেশে পণ্য আমদানি করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন ধন্যবাদ ।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ঘুরে দাঁড়াও নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৩

এইটা একটি বিজ্ঞাপন এরিয়া। সিরিয়ালঃ ৪